Showing posts with label প্রযুক্তি কথন. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি কথন. Show all posts

Sunday, August 21, 2016

এবারের রিও অলিম্পিকের নতুন পাঁচ প্রযুক্তি !!!

খেলাধুলায় প্রযুক্তি ব্যবহার বর্তমান সময়ে বেশ গুরুত্বপুর্ন হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি ব্যবহারে খেলায় স্বচ্ছতা আসে এবং নানা সুবিধাও পাওয়া যায়।। এবারের রিও অলিম্পিক ২০১৬ তে বেশ কয়েকটি নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।
লেনদেনের জন্য এনএফসি
ভিসা এবং ব্রাজিলিয়ান ব্যাংক ব্রাডেস্কো পরিধেয় ব্রেসলেটে নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তিতে অলিম্পিক গেমসে লেনদেন সুবিধা দিচ্ছে। এই গেমে অংশ নেয়া  ৩০০০ অ্যাথলেট, আর্টিস্ট এবং জার্নালিস্ট পানিরোধি রাবারের ব্রেসলেটের মাধ্যমে পন্য এবং সেবা নিতে পারছে। আর এতে অলিম্পিক ভেন্যুতে ৪ হাজার পেমেন্ট টার্মিনাল রয়েছে।
ফটোফিনিশ টেকনোলজি
সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন হল ওমেগার তৈরি ফটোফিনিশ প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে একজন অ্যাথলেট ফিনিশ লাইন পার হওয়ার খুব দ্রুত তা ক্যামেরায় ক্যাপচার করে নেয়। উন্নত কোয়ালিটির ইমেজ এবং প্রায় ভার্টিক্যাল লাইনে পার সেকেন্ডে ১০ হাজার ডিজিটাল ফটো ক্যাপচার করতে সক্ষম।
সিকিউরিটি বেলুনস
হাই রেজ্যুলিউশনের ক্যামেরার চারটি বেলুন রয়েছে এবারের রিও গেমসে। ডিভাইসটি আঞ্চলিক কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারে রিয়েল টাইমে ইমেজ পাঠাতে সক্ষম। অলিম্পিক গেমে এই প্রথমবারের মতো এ ধরনের বড় মাপের পর্যবেক্ষণ ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছে।
কালার ইমেজ স্কোরবোর্ড
দর্শকদের আরও ভালো অভিজ্ঞতা দেয়ার জন্য এবার স্কোরবোর্ডে কালার ইমেজ ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন প্রযুক্তিতে আর্চারি(ধনুর্বিদ্যা) আরও সঠিক হবে। আর দর্শকরা তীর টার্গেটে গেলে তা এক সেকেন্ডেই স্ক্রিনে দেখবে।
ক্লাউড হোস্টেড পোর্টাল
এই প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম এবং ব্যবস্থাপনা ক্লাউড ভিত্তিক করা হয়েছে।

সক্রিয়ভাবে মুভি সাবটাইটেল ডাউনলোড এর উপায়

মু্ভ দেখার সময় সাবটাইটেল খুবই কমন জিনিস। যদিও যারা ইংলিশ ভালো বুঝেন তাদের দরকার হয়না। আমি যেমন সাবটাইটেল ছাড়া মুভি দেখতে পারিনা। তাই মুভি দেখার সময় যদি আপনার সাবটাইটেল না লাগে তবে এই টিউন আপনার খুব একটা কাজে লাগবে না। যাই হোক কাজের কথায় আসি, আজ আমরা মুভি সাবটাইটেল ডাউনলোড এর চমৎকার একটা ‍সিস্টেম দেখব।
আমরা দেখব কিভাবে একটা মিডিয়া প্লেয়ার দিয়ে সক্রিয়ভাবে মুভি সাবটাইটেল ডাউনলোড করা যায়। এজন্য আমাদের একটা মিডিয়া প্লেয়ার লাগবে যার নাম হলো ওপেন সাবটাইটেলস প্লেয়ার। অনেকেই এর সাথে পরিচিত থাকতে পারেন, কারন এটা বেশ জনপ্রিয়। আপনি গুগলে সার্চ করতে পারেন অথবা সরাসরি তাদের  ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারেন।
ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে যে কোন একটি মুভি ওপেন করুন। এরপর সাবটাইটেল পেতে রাইট ক্লিক করুন এবং OpenSubtitles.org এ মাউস হোভার করে Search for matching subtitles এ ক্লিক করুন। একটা কথা বলা হয়নি যে, আপনার অবশ্যই একটা অ্যাক্টিভ ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে কারন এটা অনলাইন থেকে সাবটাইটেল খুজে ডাউনলোড করবে। নিচের ‍স্ক্রিনশটটি দেখুন।
এই সফটওয়্যারের কাজ হল আপনার ফাইলের বিপরিতে opensubtitles.org থেকে সাবটাইটেল ডাউনলোড করে আনা। আশা করছি আপনার কাজ হয়ে যাবে। এর পরও যদি কোন সমস্যা হয় আমি পুরো প্রসেস 3.32 মিনিটের একটি ভিডিও করেছি চাইলে দেখতে পারেন।
সক্রিয়ভাবে মুভি সাবটাইটেল ডাউনলোড এর উপায় আমার কাছে মনে হয়েছে এটিই সব থেকে ভালো। আপনার টিউমেন্ট শেয়ার করুন।

২০২১ এ রাস্তায় “সেলফ ড্রাইভিং” কার নামাচ্ছে ফোর্ড

২০২১ সালে সম্পূর্ণ অটোনমাস স্টিয়ারিং হুইলবিহীন সেলফ ড্রাইভিং কার রাস্তায় নামাতে যাচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত অটোমোবাইল কোম্পানি ফোর্ড। ফোর্ডের প্রেসিডেন্ট মার্ক ফিল্ডস কয়েকদিন আগে পালো আল্টো, ক্যালিফোর্নিয়ার এক প্রোগ্রামে এই ঘোষনা দেন। তারা জানিয়েছেন যে, তাদের এই অটনমাস সেলফ ড্রাইভিং কার অনেকটা উবারের মত রাইড শেয়ারিং সার্ভিস দিতে যাচ্ছে। শুধু পার্থক্য হল যে এইবার তারা এই সার্ভিস দিতে যাচ্ছে কোন হিউম্যান ড্রাইভার ছাড়াই। বিবিসিকে দেয়া এক বিবৃতি অনুযায়ী, তাদের এই সার্ভিসে শহরের সেন্টারে বিশ থেকে ত্রিশ মাইল প্রতি ঘন্টায় কাস্টমারদেরকে রাইডিং সার্ভিস দিতে পারবে তাদের এই সেলফ ড্রাইভিং কার।
গত কয়েক বছর ধরেই ফোর্ড নিজেদেরকে একটা সিম্পল কার মেকিং কোম্পানির বদলে একটা টেক কোম্পানি হিসেবে দাবী করে আসছিল। কিন্তু গত মঙ্গলবারে এসে তারা সত্যিকার অর্থেই নিজেদের দাবির স্বার্থকতা প্রমাণের দিকে একটা বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করছেন টেকবোদ্ধারা। রিসেন্টলি তারা চাইনিজ ফার্ম বাইদুর সাথে ১৫০মিলিয়ন ডলারের (১১৫ মিলিয়ন ইউরোর) একটা চুক্তি সম্পন্ন করেছে বলে  জানা গেছে। এছাড়া, সিভিল ম্যাপস নামে একটা ডিজিটাল ম্যাপিং কোম্পানির সঙ্গেও ৬.৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পন্ন  করেছে ফোর্ড। আর এরপর এমন একটা ঘোষনা তাদের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবারে। তো এই ঘটনাকে টেক বিশ্বে নতুন আরেক টেক জায়ান্টের পদার্পন হিসেবে দেখা যেতেই পারে।
যাই হোক, সবাই ভালো থাকবেন ইনশা আল্লাহ এই আশা করি।  এর পর আর গুরুত্বপূর্ণ কোন ইনফরমেশন নাই এই টিউনে। আল্লাহ হাফেজ। যাই হোক, সবাই ভালো থাকবেন ইনশা আল্লাহ এই আশা করি।  এর পর আর গুরুত্বপূর্ণ কোন ইনফরমেশন নাই এই টিউনে। আল্লাহ হাফেজ। যাই হোক, সবাই ভালো থাকবেন ইনশা আল্লাহ এই আশা করি।  এর পর আর গুরুত্বপূর্ণ কোন ইনফরমেশন নাই এই টিউনে। আল্লাহ হাফেজ। যাই হোক, সবাই ভালো থাকবেন ইনশা আল্লাহ এই আশা করি।  এর পর আর গুরুত্বপূর্ণ কোন ইনফরমেশন নাই এই টিউনে। আল্লাহ হাফেজ। যাই হোক, সবাই ভালো থাকবেন ইনশা আল্লাহ এই আশা করি।  এর পর আর গুরুত্বপূর্ণ কোন ইনফরমেশন নাই এই টিউনে। আল্লাহ হাফেজ। যাই হোক, সবাই ভালো থাকবেন ইনশা আল্লাহ এই আশা করি।  এর পর আর গুরুত্বপূর্ণ কোন ইনফরমেশন নাই এই টিউনে। আল্লাহ হাফেজ।

যদি Google কোনদিন ৩০ মিনিট বন্ধ থাকে তবে কী হবে, ভেবে দেখেছেন কি আগে?

সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি, সবাইকে আমার আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি প্রযুক্তি প্রেমীদের সার্বক্ষণিক নির্ভরতা Google এর ৩০ মিনিট নিষ্ক্রিয়তায় বাস্তব জীবনে কী প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়ে আমার আজকের টিউন।
আমরা সবাই গুগলের উপর কম বেশি নির্ভর করি। কারণ কম্পিউটারের ব্রাউজার যখন আমরা ওপেন করি তখন প্রথমেই আমরা সার্চ শুরু করি গুগল দিয়ে। কখনও কি ভেবেছেন যদি এই গুগল কোনদিন ৩০ মিনিট বন্ধ রাখা হয় তাহলে আমাদের বাস্তব জীবনে এর কী প্রভাব পড়বে? এই বিষয়ে বলার আগে একটা ছোট্ট ইনফরমেশন শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না। আর সেটা হলো, ২০১৩ সালের আগস্টে একবার ২-৩ মিনিটের জন্য গুগল বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। বিস্ময়কর তথ্য হলো শুধু এই ২-৩ মিনিটের মধ্যেই সমগ্র ইন্টারনেট ট্রাফিক ৪০% কমে গিয়েছিলো। এরকম একটা ঘটনা ২০০৯ সালের মে মাসেও ঘটেছিলো। এবার ভাবুন এই ২০১৬ কিংবা এর পরবর্তী কোন সময়ে গুগল যদি অন্তত ৩০ মিনিট বন্ধ থাকে তাহলে কী হবে? আজকের টিউনটি একটি প্রযুক্তি নির্ভর টিউন হলেও এটাকে আংশিক টেক-হিউমার হিসাবে পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করছি। কারণ আমার একটা টেক-হিউমার লেখার খুব শখ ছিলো। এই টিউনের মাধ্যমে সেই শখ সামান্য পূরণ করতে চাচ্ছি। তবে কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে নেওয়া যাক কী হবে যদি গুগল ৩০ মিনিট বন্ধ থাকে?

প্রথমে কেউ বিশ্বাসই করতে পারবে না!

প্রথমে কেউ বিশ্বাসই করতে পারবে না যে গুগল কাজ করছে না। ফলে প্রথম কয়েক মিনিট সবাই নিজেদের ইন্টারনেট কানেকশন চেক করতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। কেউ কেউ তাদের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের কল দিবে সমস্যার কথা জানিয়ে। আবার কেউ কেউ তাদের কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ত্রুটি নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করে দিবে। ভাবুনতো আপনিই কি সহজে বিশ্বাস করতে পারবেন এই ঘটনা?

যখন বিশ্বাস হবে তখন যা হবে

কিছু কিছু মানুষ তখন বুঝতে পারবে গুগল বন্ধ হয়ে গেছে। আবার কিছু মানুষ তখন বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের মাঝে অবস্থান করবে। তারা মরিয়া হয়ে গুগলের হোম পেইজ রিলোড দিতে থাকবে কখন এটা কাজ করবে। কারণ যখন কোন জিনিস থাকে না তখনই তার প্রয়োজনীয়তা বেশি অনুভব করে মানুষ। আর যখন তারা বুঝতে পারবে যেগুগল বন্ধ তখন তারা যে কাজগুলো করবে-
  • সারা পৃথিবীর মানুষ গুগল সার্ভার এররের স্ক্রিনশট শেয়ার করতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। যেমন- Error 500!
  • ফেইসবুক নিউজ ফিডে একটা ঝড় উঠে যাবে গুগলের বন্ধ হওয়া নিয়ে। বাংলাদেশের যতো ইস্যু আছে, যেমন জঙ্গিবাদ, ভারতীয় হাতি, ধর্ষণ, দুর্নীতি সবকিছুই গুগলের নিচে হারিয়ে যাবে।
  • মানুষজন বিকল্প সার্চ ইঞ্জিন খুঁজা শুরু করবে। কিন্তু খুঁজবে কী দিয়ে? কারণ অধিকাংশ মানুষই তো জানে না গুগল ছাড়া আরও সার্চ ইঞ্জিন আছে। নিজে একবার ভাবুন তো আপনি কয়টা সার্চ ইঞ্জিন চিনেন?
  • মাইক্রোসফট Bing এবং Yahoo সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে ট্রাফিক উপচে পড়বে। কারণ আসল ঘটনা জানতে এগুলোর উপরই তখন শেষ ভরসা।
  • DuckDuckGo (একটা সার্চ ইঞ্জিন, যেটা কখনও ট্র্যাক করে না) এর মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলো নিজেদের প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে পড়বে। কিছু মানুষ মনে করবে গুগল বন্ধ হয়ে ভালোই হয়েছে, আপাততো মানুষকে এখন আর ট্র্যাক করা হবে না।
  • অনেকগুলো ইন্টারনেট অ্যাপ্লিকেশন যেগুলো গুগল সার্ভিস ব্যবহার করে চলে সেগুলো কাজ করা বন্ধ করে দিবে। আর শুধুমাত্র জিমেইল বন্ধ থাকার কারণেই পুরো বিশ্বের ট্রেড এন্ড কমার্সে ধ্বস নামবে।
  • শুধু গুগল নয়, বিশ্বের যে কোম্পানিগুলো গুগল নির্ভর তাদের অধিকাংশের ব্যাপক ব্যবসায়ী ক্ষতি হয়ে যাবে।
  • যারা গুগল ম্যাপ ব্যবহার করেন করেন তারা পথের মাঝখানে রাস্তা হারিয়ে ফেলতে পারেন।
  • ইউটিউব প্রেমীরা মুখ গোমড়া করে বসে থাকবেন এবং গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বীরা এ সময় আনন্দের গান গাইতে থাকবে। কেউ কেউ বিভিন্ন ট্রল বানাতে ব্যস্ত হয়ে যাবে।
  • কিন্তু এতো কিছুর পরেও চাইনাতে কোন সমস্যা হবে না। বলুন তো কারণটা কী?

যখন গুগল আবার স্বরূপে ফিরে আসবে তখন যা হবে

গুগল যখন সব সমস্যা সমাধান করে ফিরে আসবে তখন প্রথমেই তারা এই সমস্যা বিশ্লেষণ করে একটা প্রেস ব্রিফিং দিবে। বিশ্বের প্রযুক্তি প্রেমীরা এর বিভিন্ন ধরনের কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করবে। সত্য মিথ্যা না জেনেই তারা বিভিন্ন টিউমেন্ট করবে। সেই সাথে কিছু হ্যাকার যারা পরিচিতি পাওয়ার জন্য গল্প ছড়াতে থাকবে যে এই ঘটনার পেছনে তাদের হাত রয়েছে। বাংলাদেশি হ্যাকার গ্রুপও এই কৃতিত্বের দাবি করতে পারে। অবাক হওয়ার কিছু নেই। এছাড়াও যা হতে পারে-
  • টিউনার সানিম মাহবীর ফাহাদ টেকটিউনসে একটা মেগাটিউন করতে পারে, কীভাবে প্রযুক্তির দুনিয়া গুগলের উপর নির্ভরশীল।
  • মিডিয়াগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করবে গুগলের এমন পতনে পুরো বিশ্বের কী নাজেহাল অবস্থা হয়েছিলো এই নিয়ে। কেন এটা হয়েছে, আবারও হবে কিনা, এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হ্যাক হয়েছে কিনা। ওভার সেন্সেটিভ দেশগুলো এবং ব্যক্তিদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে তথ্য ফাঁসের দুঃচিন্তায়।
  • অনেক মানুষই গুগলের বিকল্প নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করবে। সবগুলো গুগল সার্ভিসের বিকল্প ব্যবস্থা তারা করে রাখবে। কথায় আছে ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেও ভয় পায়।
  • অনেক বিখ্যাত টেকনোলজি ব্লগগুলো থেকে আর্টিকেল বের হবে, “Google went down for 30 minutes. You won’t believe what happened next.” কিংবা “10 things to do when Google goes down the next time”. আর আমার মতো কিছু টিউনার সেইগুলো নিজের মতো করে অনুবাদ করে টেকটিউনসে টিউন করবে।
যদিও এটা একটা টেক-হিউমার তবে এসব কিছুই ঘটতে পারে অদূর ভবিষ্যতে। সুতরাং সবকিছুর একটা অল্টারনেটিভ ওয়ে খোলা রাখতে হবে। কারণ যেকোনো কিছুর উপর পুরোপুরি নির্ভর করাটা বোকামি। আমরা জানি গুগলের বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু আমরা বিপদের মূহুর্তে তো গুগল ছাড়া অন্য কিছুও ভাবতে পারি। যাহোক, আশা করি মজা পেয়েছেন। আর মজা পেয়ে থাকলে টিউনের নিচে লাইক বাটন (নির্বাচিত টিউন মনোনয়ন) চাপতে ভুলবেন না যেন।

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারন আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। আর টিউনটিকে মৌলিক মনে হলে এবং নির্বাচিত টিউন হওয়ার উপযুক্ত মনে হলে নির্বাচিত টিউন মনোনয়ন দিতে ভুলে যাবে না যেন। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো, আসুন আমরা কপি পেস্ট করা বর্জন করি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

স্মার্টফোন/ট্যাবলেট/ল্যাপটপ এর জন্য কোন ডিসপ্লে ভালো,জেনে নিন স্মার্টফোন/ট্যাবলেট/ল্যাপটপ এর ডিসপ্লে নিয়ে বিস্তারিত টিউন এবং সকল দ্বন্দের সমাধান

আমরা সাধারণত যখন স্মার্টফোন/ট্যাবলেট/ল্যাপটপ কিনি,এসময় আমরা ফোনের র্যাম (Ram) প্রোসেসর(Prossesor) ইত্যাদি দিককে প্রাধান্য দেই আর ডিসপ্লে (Display)বা স্ক্রীন (Screen)এর কথা একদমই ভাবিনা (85%)।হয়ত প্রযুক্তি এত উন্নত হয়ে গিয়েছে যে  TFT,Retina বা IPS ইত্যাদি বিষয় আমরা বুঝিই না। তবে একটি স্মার্টফোন এর ক্ষেত্রে স্ক্রীন বা ডিসপ্লে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কেননা আমাদের চোখ সারাক্ষন এই ডিসপ্লে এর ওপর থাকে। সুতরাং ডিসপ্লে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আর আজ আমি এ নিয়েই কথা বলব।
সাধারনত ডিসপ্লে পছন্দ করার আগে দুটো জিনিস আামাদের সামনে আসে এদের ভেতর প্রথমতএকটি  হল;ডিসপ্লে বা স্ক্রীন সাইজ (size),কি সাইজ আমাদের জন্য ভালো আর কোনটি আমাদের কাজেরজন্য পারফেক্ট  এটি ঠিক করা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর দ্বিতীয় যে বিষয়টি তা হল PPI - Pixel Per Inch বা Pixel Density। আমরা PPI - পিপিআাই সম্পর্কে পরে কখনও টিউনে আলোচনা করব।

LCD Display (Liquid Crystal Display)

এখন আমরা স্মার্টফোনের ডিসপ্লে এর ভেতরে সচরাচর সবচেয়ে বেশি LCD (Liquid Crystal Display)ডিসপ্লেই দেখি,পূর্বে কম্পিউটার এর যে মোটা মনিটর ছিলো তার নাম CRT,কিন্ত CRT তো আর ফোনে ব্যবহার করা সম্ভব নয়,তাই ফোনে এই LCD স্ক্রীন  ই ব্যবহার করা হয়।

TNP Display (Twisted Nematic Panal)

LCD স্ক্রীন বা ডিসপ্লে কিন্তু আবার সরাসরি ভাবে ব্যবহার হয়না, এই LCD এর ভেতর আবার রয়েছে বিভিন্ন প্রকারভেদ।প্রথমেই যে নামটি আসে তার নাম TNP বা Twisted Nematic Panal এটি প্রথম দিককার কম্পিউটার এর মনিটর এবং ৪-৫ বছর আগেকার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে দেখা যেত।এই LCD এর কালার রেপুটেশন একদমই বাজে,ভিউইং অ্যাঙ্গেল একদমই বাজে এবং পাওয়ার ও বেশি খরচ করত। এখন ও যদি এই TNP LCD সহ কোন কিছু পান তবে তা পরিহার করাই ভালো।

TFT Display (Thin Flim Transistors LCD)

এরপর আসে হল TFT ডিসপ্লে বা Thin Flim Transistors LCD পূর্বের TNP কে একটু উন্নত করে এই TFT ডিসপ্লে তৈরি রা হয়েছে,এটি TNP থেকে একটু উন্নত তবে এরও কালার রেপুটেশন ও ভিউইং অ্যাঙ্গেল ভালো না এটিও পাওয়ার বেশি খরচ করে।২-৩ বছর আগের চাইনা এন্ড্রয়েড এবং বর্তমান সময় এর অনেক এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে এই ডিসপ্লে লক্ষ করা যায়।

IPS Display (In Plane Switching LCD)

এবার আসল  IPS LCD -  In Plane Switching LCD এটি বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত এবং জনপ্রিয় একটি প্রযুক্তি।বড়তমান সময়ে সবচাইতে উন্নত LCD হল IPS  LCD এতে কালার রেপুটেশন সবচাইতে ভালো,আপনি আপনার চোখ কোন রং যেভাবে দেখেন এই IPS ডিসপ্লেতেও একই দেখতে পারবেন।এ ডিসপ্লেতে যে রংই দেখতে পান না কেন, তা একদম আসল। দ্বিতীয়ত এর ভিউইং অ্যাঙ্গেল খুব ভালো আপনি ১৮০ ডিগ্রী না হলেও ১৬০ বা ১৫০ ডিগ্রী এঙ্গেল থেকে এই ডিসপ্লে তে যেকোনো কিছু দেখতে পারবেন।

SUPER LCD

এর পর আসে হল Super LCD - TFT ডিসপ্লে কে আরেকটু উন্নত করে এটি তৈরি করা হয়েছে তবে এটি IPS ডিসপ্লের মানের কাছে হার মেনেছে।

LED/OLED/Amoled Display

এতক্ষন তো কথা হল  LCD নিয়ে এবার আসি LED ডিসপ্লে নিয়ে। স্মার্টফোন এর ক্ষেত্রে LED ডিসপ্লে হয় সাধারনত দুটি একটি হল OLED এবং আরেকটি হল AMOLED। এখন এই দুটির মধ্যকার পার্থক্য হল: LCD তে আমরা যা দেখছি, সবুজ,নীল,হলুদ,নীল যে কালারই দেখি না কেন এর পেছনে রয়েছে একটি পর্দা আর এর সাথে রয়েছে একটি ব্যাকলাইট,আমরা LCD তে যা দেখি না কেন, পেছনে সারাক্ষণ এই লাইট জ্বলবেই।
আর অন্যদিকে OLED বা Amoled এর ক্ষেত্রে প্রতিটা পিক্সেল এর জন্য আালাদা Led রয়েছে, সুতরাং যখন যে আলোর প্রয়োজন হবে তখন শুধু সে আলোই জ্বলবে।ধরুন কালো রং দেখাবে বা কোন ছবির কালো অংশ বা কালো রং তখন  LED জ্বলবেই না,যেখানে LED জ্বলবেই না তার চাইতে অন্ধকার তো আর কিছুই না।
OLED বা AMOLED তাই দেখা যাচ্ছে যখন কালো তখন কালোই, আর যখন সাদা তখন একদম ব্রাইট সুতরাং OLED বা AMOLED ডিসপ্লে তে আমরা কনট্রাস্ট বেশি পাব।আর OLED বা AMOLED ডিসপ্লেতে কালার গুলো চোখে দারুন ফুটে উঠবে আর  ভিউইং এঙ্গেল IPS ডিসপ্লে এর মতনই।যেহেতু প্রতিটি পিক্সেল এর জন্য আলাদা Led তাই ব্যাটারি খরচ কম হয়, আর এটি IPS ডিসপ্লে এর তুলনায় এটি একটু চিকন।
আর যেখানে IPS ডিসপ্লেতে সারাক্ষন ব্যাকলাইট জ্বলে তাই সূর্যের আলোতে এটি দেখা যায় ভালো,আর যেকানে OLED বা AMOLED এর প্রতিটি পিক্সেল এর জন্য আালাদা Led তাই সূর্যের আলোয় দেখতে একটু সমস্যা হয়।আর  LED এর তুলনায় IPS এ বব্যাটারি খরচ কম।তবে উভয়ই তাদের নিজ নিজ দিক দিয়ে ভালো।
যেহেতু প্রতিটি পিক্সেল এর জন্য আলাদা আলাদা নিজস্ব LED রয়েছে তাই ব্যাটারির পাওয়ার কম খরচ হলেও,এই ডিসপ্লেটি তৈরি করতে বেশি খরচ হয় আর তাই এর দাম IPS এর তুলনায় একটু বেশি।
সুতরাং উপরের দিক বিবেচনা করে আপনি IPS LCD না LED তা নিজেই বিবেচনা করে দেখে নিন।

Retina Display

রেটিনা ডিসপ্লে,কেন এটি আইফোন ছাড়া অন্য কোথাও নেই,এর বিশেষত্ব কি? এমন অনেক প্রশ্ন আমাদের মাথায় অবশ্যই ঘুরে আসছে আর আজও ঘুরছে,তাই  হয়ত আশা করি এই (Retina Display) - রেটিনা ডিসপ্লে এর রহস্য আপনাদের কাছে উন্মোচিত হবে।
আমাদের যাদের আইফোন- Iphone আছে বা নেই তারা সবাই জানি যে  এটি কেনার আগে এটির অন্যতম মূল আকর্ষন হল এর Retina  Display আর আমরা অনেক সময় বুঝে উঠতে পারি না কি এই রেটিনা ডিসপ্লে যা অন্য কোন স্মার্টফোন এ নেই? কেবল IPhone- আইফোন এ আছে --
এখন  বলি এই রেটিনা ডিসপ্লে এই নামটা আসলে কিছু নয়; অ্যাপেল তাদের মার্কেটিং টার্ম এর ক্ষেত্রে বা মার্কেটে একটা আকর্ষন তাদের Iphone- আইফোন এর দিকে আনার জন্য এই টার্মটি ব্যবহার করেছিল সর্বপ্রথম যখন Iphone 4S  launch হয় তখন।
অ্যাপেল তাদের Iphone 4S এ IPS ডিসপ্লে ব্যবহার করেছিলো আর যাতে PPI- Pixel Per Inch বা Pixel Density ছিলো ৩২৬ যা,সে সময় সচরাচর অন্য স্মার্টফোনে ছিল না,আর তখন থেকে এর নাম তারা দেয় Retina Display যেখানে বাস্তবে এটি একটি IPS  Display...বর্তমানে IPhone 6s এও এই PPI বা Pixel Density ৩২৬ ই রাখা হয়েছে, আর যেখানে বর্তমানে নতুন নতুন স্মার্টফোন;যেমন: galaxy s6,note 5  lg g4 ইত্যাদি স্মার্টফোন গুলোতে PPI ৫০০ এর উপরে!!!
সুতরাং PPI ৩০০ বা ৩২৬ এর উপরে যে সব IPS ডিসপ্লে রয়েছে তাদের সবাইকে রেটিনা  ডিসপ্লে বলা যাবে,কেননা এটি কেবল একটি নামমাত্র,যা অ্যাপেল তাদের আইফোন এর প্রতি আকর্ষন বাড়ানোর জন্য সৃষ্টি করেছিলো।